১৯৮২ তে ২য়শ্রেণি,১৯৮৩ তে ৩য় শ্রেণি, ১৯৮৪ তে ৪র্থ শ্রেণি ও ১৯৮৫ তে ৫মশ্রেণি পর্যন্ত বর্ধিত করা হয় এবং ১৯৮৬সালে ৬ষ্ঠ শ্রেণি ১৯৮৭ সালে ৭ম ও ৮ম শ্রেণি পর্যন্ত বর্ধিত করা হয়। উল্লেখ্য তৎকালিন জেলা প্রশাসক জয়পুরহাট মহোদয় তৎকালিন জয়পুরহাট নার্সারী স্কুলের ০৯/০১/১৯৮৭ তারিখের সভায় স্কুলটিকে জুনিয়র হাইস্কুলে উন্নিত করার সিদ্ধান্ত দেন।বিদ্যালয়ে৮ম শ্রেণি খোলার পর স্কুলটির অর্থাৎ “জয়পুরহাট নার্সারী স্কুলের” ম্যানেজিং কমিটির০৯/০১/১৯৮৭ তারিখের সভায় রাজশাহী শিক্ষা বোর্ডেমুঞ্জুরি গ্রহণরে জন্য স্কুলটির নাম সংশোধন করে “জয়পুরহাট নার্সারী এবং জুনিয়র হাইস্কুল” নতুন নামকরণ করা হয়।বর্ণিতস্কুলটির যখন নাম ছিল “ জয়পুরহাট নার্সারী স্কুল” তখন এবং যখন নতুন নামকরণ করা হয় “জয়পুরহাট নার্সারী এবং জুনিয়র হাইস্কুল” ঠিক ঐ সময়কালে স্কুলের নামে কোন জমি ছিল না।
অতঃপর ৮মশ্রেণি পর্যন্ত স্কুলটির স্বীকৃতির জন্য আবেদন করলে মহা পরিচালক মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা, ঢাকা ০৭/০৫/১৯৮৮তারিখের চিঠিতে জানায় যে অনুমোদনের জন্য স্কুলের নাম থেকে ‘নার্সারী’ শব্দ কর্তন করতে হবে।
শ্রুতিতে ম্যানেজিং কমিটির ০৩/০৭/১৯৮৮ তারিখের সভায় ০৭/০৫/১৯৮৮তারিখের চিঠির উদ্ধৃতি দিয়ে স্কুলের নাম থেকে ‘নার্সারী’ শব্দ বাদ দিয়ে নতুন নামকরণ করা হয় “জয়পুরহাট সদর উপজেলা জুনিয়র হাইস্কুল” এবং সেই সাথে ম্যানেজিং কমিটি আরও সিদ্ধান্ত নেন যে উল্লিখিত ৮৩ শতক জমি “জয়পুরহাট সদর উপজেলা জুনিয়র হাইস্কুল” বরাবর হস্তান্তর করা হলো এবং উক্ত ০৩/০৭/১৯৮৮ তারিখের সভায় সিদ্ধান্ত হয় যে, ইউএনও সদর মহোদয়কে উক্ত দলিল সংশোধন করার ক্ষমতা দেওয়া হলো। উক্ত সিদ্ধান্ত মোতাবেক ইউএনও সদর, জয়পুরহাট ১০/০৭/১৯৮৮ তারিখে ৫০/০০ টাকার ষ্ট্যাম্পে মহাপরিচালকের ০৭/০৫/১৯৮৮ তারিখের চিঠির উদ্ধৃতি দিয়ে ১৪/০৩/১৯৮৮ তারিখের দলিল সংশোধন করে উক্ত দলিলের গ্রহিতার নামের স্থলে নার্সারী নাম বাদ দিয়ে গ্রহিতার নামকরা হয় “সদর উপজেলা জুনিয়র হাইস্কুল”।
এর স্থলে ১০০ শতক জমি প্রয়োজন হয়। ২৭/০১/১৯৯০ তারিখের ১৯নং অধিবেশনের আবেদনের প্রেক্ষিতে ১৩/০৯/১৯৯০ তারিখের ইউএনও অফিসের সভায় অতিরিক্ত ১৭শতক জমি হাইস্কুলের নামে দেওয়ার সিদ্ধান্ত হয়। পূর্বের ৮৩ এবং পরের ১৭ শতক একুনে১০০ শতক সম্পত্তি হাইস্কুলের সম্পত্তি বলে গণ্য হয়।
দেশের বিভিন্নি প্রান্তে ছড়িয়ে যাচ্ছে। এ বিদ্যালয়টি ২০২৫ সালের এসএসসি পরীক্ষায় জেলার এমপিওভূক্ত বিদ্যালয়ের তালিকায় স্থান পায় ।গত ২০২৩ সালে এসএসসি পরীক্ষার ফলাফলের ভিত্তিতে ব্যবসায় শিক্ষা শাখা হতে রাজশাহী বোর্ডে ১ম স্থান অধিকার করেছে অত্র প্রতিষ্ঠানের একজন কৃতি শিক্ষার্থী। প্রতি বছর এসএসসি পরীক্ষার ফলাফল অপরাপর অন্যান্য বেসরকারী বিদ্যালয়ের চেয়ে ভালো। প্রতিষ্ঠানটি ২০২৪ সালে উপজেলা পর্যায়েশ্রেষ্ঠ প্রতিষ্ঠান হিসেবে নির্বাচিত হয়েছে। উপজেলা ও জেলা পর্যায়ে জাতীয় শিক্ষা সপ্তাহ সহ সকল প্রতিয়োগীতায় অত্র বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী বরাবর কৃতিত্বপূর্ণ ফলাফল অর্জন করে। জাতীয় পর্যায়েও আমাদের অংশগ্রহণ ও ফলাফল উল্লেখযোগ্য। ফলে প্রতি বছর শিক্ষার্থী ভর্তির চাপ বাড়ছে। বর্তমানে এই বিদ্যালয়ে মোট শিক্ষার্থী ১৪৫৩ জন । জয়পুরহাট সদর থানা উচ্চ বিদ্যালয়ে র্বতমানে ইংলিশ ল্যাংগুয়েজ ক্লাব ডিবেটিং ক্লাব,আইসিটি ক্লাবের র্কাযক্রম চলমান রয়েছে।